গণভবনেও মশা উপদ্রব
Sunday, 07.03.2010, 02:19am (GMT+9)
 প্রায় নয় বছর পর গণভবনে ফিরে প্রথম দিনে মশার উপদ্রব সহ্য করতে হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন পর বাবার স্মৃতি বিজড়িত গণভবনে ফিরে হাসিনাকে হাসিমুখে দেখা গেছে। এতদিন ধরে পরিত্যক্ত ভবনটির সংস্কারের কাজ নিজেই দেখভাল করছেন তিনি। শুক্রবার পুরোনো গৃহে প্রত্যাবর্তনের প্রথমদিনে অনেক সুখকর অভিজ্ঞতায় উপদ্রব ছিলো মশা। ভবনটির সংস্কার কাজ তদারককারী একজন সরকারি কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মশক নিধনে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখানেও মশার উৎপাত রয়েছে। শুক্রবার বেলা বারোটায় প্র্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাড়ি গণভবনে ওঠেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এ ভবনটিকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে 'গণভবন' নামকরণ করা হয়। দেশের প্রথম সরকার প্রধান হিসেবে সেসময় বঙ্গবন্ধু এ ভবনে দিনের অধিকাংশ সময় কাটালেও ধানমণ্ডি ৩২ নাম্বার সড়কের বাড়িতেই তিনি থাকতেন। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর বাবার স্মৃতি বিজড়িত এ বাড়িটিতেই ওঠেন শেখ হাসিনা। মেয়াদ শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পর ২০০১ সালের ১৬ আগস্ট ফিরে আসেন স্বামী ওয়াজেদ মিয়ার ধানমণ্ডির বাড়ি সুধা সদনে। এরপর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গঠন করলেও প্রধানমন্ত্রীর ভবন হিসেবে সরকারিভাবে চিহ্নিত এ বাড়িতে আর কেউ থাকেননি। দীর্ঘ দিন অযত� ও অবহেলায় পড়ে থাকার কারণে ভবনটি একরকম বসবাসের অনুপযোগীই হয়ে পড়েছে। সংস্কার কাজের তদারককারী ওই কর্মকর্তা জানান, গণভবনের অধিকাংশ কক্ষের আসবাপত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। স্টোর রুমে পড়ে থাকা মূল্যবান শিল্পকর্মগুলোর উপর ছিল ধূলোর স্তর। এসব কারণে ভবনটিকে নতুনভাবে সজ্জিত করতে হয়েছে। বাইরের সংস্কার কাজ এখনও চলছে। ভবনে এলাকায় নতুন করে ফুলের বাগানের পাশাপাশি ভেতরে অনেক সংস্কার করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন পণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের একজন সদস্য জানিয়েছেন, আগেরবারের এবারও একটি কক্ষে শেখ হাসিনা ব্যক্তিগত লাইব্রেরি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। গত বছরের ৬ ফেব্র"য়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর শেখ হাসিনা ধানমণ্ডির সুধা সদন ছেড়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ওঠেন। এই এক বছর যমুনা-ই প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
Bibekbarta.com
|