Bookmark and Share
Monday, 06.09.2010, 01:17pm (GMT+9) Home FAQ RSS Links Site Map Contact
 
 
 
All News  
বাংলাদেশ
জাতীয়
রাজনীতি
অন্যান্য সংবাদ
বিশেষ প্রতিবেদন
আইন ও অপরাধ
বিশেষ সংবাদ
বিশ্ব সংবাদ
জাপানের সংবাদ
জাপান টুকিটাকি
অন্য প্রবাস
বিবেক ভাবনা
জাপানের কথা
বিনোদন
তথ্য প্রযুক্তি
স্বাস্থ্যকথা
খেলার খবর
গ্রামগঞ্জ
সাক্ষাতকার
কৃতিত্ব
সাহিত্য
ঘোষণা
::| Poll
বিবেকবার্তার নতুন সাইট কেমন লাগছে?
ভাল
ভাল না
মন্তব্য নেই
 
 
 
রাজনীতি
 
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি : সংসদে মারমুখী সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা
Thursday, 04.03.2010, 09:20pm (GMT+9)

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘ফেরাউন’ বলায় গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিএনপি দলীয় সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য শাম্মী আখতার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুকে ‘ফেরাউন’ বলায় সংসদে এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় সরকারদলীয় সদস্যরা বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া সম্পর্কে কটূক্তি করলে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারতে উদ্যত হন এবং মারমুখী ও উদ্ধত আচরণ শুরু করেন। এসময় তারা পরস্পরকে গালিগালাজও করেন। একপর্যায়ে সরকারদলীয় সদস্য মেহেরপুরের মোঃ জয়নাল আবেদিন চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে মারমুখী অবস্থান নিলে এবং বিরোধী দলের সাংসদ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি তাকে মারতে এলে এ নিয়ে উভয় পক্ষ বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ায় সংসদে বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি হয়। এ পরিস্থিতিতে সরকারদলীয় চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ এবং জাতীয় পার্টির সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু ও নাসিম ওসমান উভয় দলের সদস্যদের মাঝখানে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তা না হলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা ছিল। একপর্যায়ে বিরোধী দল স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় বিএনপির সদস্য শাম্মী আখতার বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নেমেছিল। কিন্তু শেখ মুজিব ফেরাউনেমৃত্যুর পর কেউ ইন্নালিল্যাহও পড়েননি’। এ সময় সরকারদলীয় সদস্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে হৈ চৈ শুরু করলে সংসদে চরম উত্তেজনা ও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সরকারদলীয় চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে শাম্মী আখতারের অসংসদীয় বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানান। এরপর বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর চাইলে স্পিকার তাকে ফ্লোর না দিয়ে সরকারদলীয় সদস্য ইকবালুর রহিমকে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনার সুযোগ দেন। ওই সময়ও সরকারি ও বিরোধী দলের কয়েকজন সদস্য পরস্পরকে লক্ষ করে নানারকম ইঙ্গিত ও মন্তব্য করছিলেন। এরই মধ্যে ইকবালুর রহিম বক্তব্য শুরু করেন। ওই সময় সরকারি দলের সদস্য জয়নাল আবেদিন এবং বিরোধী দলের মহিলা সদস্য শাম্মী আখতার ও সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়া পরস্পরকে লক্ষ করে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছিলেন। সরকারদলীয় সদস্য জয়নাল আবেদিন শাম্মী আখতারকে অশালীন ভাষায় কটূক্তি করলে তিনি অশালীন ভাষায় পাল্টা জবাব দেন। শাম্মী আখতারের কথার জবাবে জয়নাল আবেদিন ক্ষিপ্ত হয়ে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ান। তিনি মারমুখী অবস্থান নিয়ে এগিয়ে যেতে চাইলে তার পাশের অপর এক সদস্য তাকে নিয়ন্ত্রণ করেন। এ সময় বিরোধীদলীয় সদস্যরাও চেয়ার ছেড়ে জয়নাল আবেদিনকে হুমকি দেন। পরিস্থিতি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল তখন সরকারদলীয় চিফ হুইপ উপাধ্য্ষ আবদুস শহীদ চেয়ার ছেড়ে জয়নাল আবেদিনের সামনে গিয়ে তাকে নিয়ন্ত্রণ করেন। অপরদিকে জাতীয় পার্টির সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু বিএনপির সদস্যদের সামনে দাঁড়িয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণ করেন। এ অবস্থা ৫ মিনিট চলার পর বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মাইক ছাড়াই ডেপুটি স্পিকারকে লক্ষ করে বলেন, স্পিকার হিসেবে আপনি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। সরকারদলীয় সদস্যদের ইচ্ছামতো পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর দিচ্ছেন। আমাদের ফ্লোর দিচ্ছেন না। এভাবে সংসদের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আপনি সংসদকে কার্যকর করতে পারছেন না। এই পর্যায়ে রাত ৮টা ৫ মিনিটে বিএনপির সদস্য এম কে আনোয়ারের নেতৃত্বে বিরোধী দল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে। এরপর ইকবালুর রহিম তার বক্তব্য শুরু করেন। ইকবালুর রহিমের পর ধন্যবাদ প্রস্তাবে আলোচনা করেন আতিয়ার রহমান আতিক, প্রমোদ মানকিন প্রমুখ। এরপর ডেপুটি স্পিকার বলেন, ধন্যবাদ প্রস্তাবের সময় শাম্মী আখতার যেসব অসংসদীয় শব্দ ব্যবহার করেছেন তা এক্সপাঞ্জ করা হলো। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা শেষে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের অসংসদীয় আচরণের প্রতিবাদ জানান জাসদের সদস্য মঈনুদ্দিন খান বাদল ও সরকারদলীয় মহিলা সদস্য এডভোকেট তারানা হালিম। ওয়াকআউটের পর সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলী নিরপেক্ষ নন এবং তিনি সংসদ পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। সংসদের ভেতরে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের নিরাপত্তা দিতেও ডেপুটি স্পিকার ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি নিরপেক্ষ ভাবে তার দায়িত্ব পালন করেননি। এসময় এমকে আনোয়ার বলেন, ডেপুটি স্পিকার তার দায়িত্ব নিরপেক্ষভাবে পালন করেননি। তিনি পরিস্থিতি সামাল দেয়ার কোনো চেষ্টাই করেননি। ডেপুটি স্পিকার যদি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন না করতে পারেন তাহলে তার পদত্যাগ করা উচিত। এরপর বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আজকের ঘটনার পর সংসদে আমরা ফিরবো কিনা তা আমাদের দলের চেয়ারপারসনসহ সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেবো। ব্রিফিংকালে বিরোধী দলের অন্য সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবুল খায়ের ভুইয়া, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আশরাফউদ্দিন নিজান, শাম্মী আক্তার, সৈয়দা আশিফা আশরাফি পাপিয়া, রেহানা আক্তার রানু, রাশেদা বেগম হীরা, নিলুফার চৌধুরী মনি প্রমুখ।
বিবেকবার্তা ডট কম


Rating (Votes: )   
    Comments (0)        Tell friend        Print


Other Articles:
রাবিতে এক কর্মচারি গ্রেপ্তার (03.03.2010)
আওয়ামী লীগের সদস্য হলেন জয় (26.02.2010)
রাবিতে ছাত্রশিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ শুরু ও মানববন্ধন (24.02.2010)
নাম বদলের রাজনীতি (22.02.2010)
জিয়ার নাম বদলের প্রতিবাদে বিএনপির সমাবেশ (18.02.2010)



 
::| Events
September 2010  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
      1 2 3 4
5 6 7 8 9 10 11
12 13 14 15 16 17 18
19 20 21 22 23 24 25
26 27 28 29 30